ইসলাম একজন পুরুষকে একাধিক স্ত্রী রাখার অনুমতি কেন দেয়?

Short answerকুরআন ন্যায়ের শর্তে সর্বোচ্চ চার স্ত্রীর অনুমতি দিয়েছে, যা ইসলামের আগে সীমাহীন প্রথাকে সীমাবদ্ধ করেছে। মুসলিম পরিবারে এক স্ত্রীই স্বাভাবিক; একাধিক বিয়ে শর্তসাপেক্ষ ব্যতিক্রম, আর অনেক দেশ তা নিয়ন্ত্রণ বা সীমাবদ্ধ করে।

Last updated:

আয়াতটি

Quran
وَإِنۡ خِفۡتُمۡ أَلَّا تُقۡسِطُواْ فِي ٱلۡيَتَٰمَىٰ فَٱنكِحُواْ مَا طَابَ لَكُم مِّنَ ٱلنِّسَآءِ مَثۡنَىٰ وَثُلَٰثَ وَرُبَٰعَۖ فَإِنۡ خِفۡتُمۡ أَلَّا تَعۡدِلُواْ فَوَٰحِدَةً أَوۡ مَا مَلَكَتۡ أَيۡمَٰنُكُمۡۚ ذَٰلِكَ أَدۡنَىٰٓ أَلَّا تَعُولُواْ

And if you fear that you will not deal justly with the orphan girls, then marry those that please you of [other] women, two or three or four. But if you fear that you will not be just, then [marry only] one or those your right hands possess [i.e., slaves]. That is more suitable that you may not incline [to injustice].

আন-নিসা ৪:৩

আয়াতটি নাযিল হয়েছিল যুদ্ধের পর ইয়াতিম ও বিধবাদের দেখাশোনার প্রসঙ্গে। এটি স্ত্রীদের মধ্যে ন্যায়ের শর্তে একাধিক বিয়েকে সীমাবদ্ধ করেছে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছে এবং বলেছে, এক স্ত্রীই অন্যায় এড়ানোর কাছাকাছি। আলেমরা ভরণপোষণের সামর্থ্য ও ন্যায়সঙ্গত আচরণের সামর্থ্য শর্ত করেন, আর একজন নারী চাইলে তার বিবাহচুক্তিতে শর্ত দিতে পারেন যে তার স্বামী অন্য বিয়ে করবে না।

বাস্তবে

মুসলিমদের সিংহভাগেরই এক স্ত্রী, আর কিছু দেশে বিচারকের অনুমতি বা প্রথম স্ত্রীর সম্মতি প্রয়োজন। ইসলাম একাধিক বিয়ে না ফরজ করে, না উৎসাহিত করে; এটি একটি সীমাহীন প্রথাকে সীমাবদ্ধ করেছে।

Frequently asked questions

একজন মুসলিম পুরুষের কি একের বেশি স্ত্রী বিয়ে করতেই হবে?

না। এটি না ফরজ, না মুস্তাহাব; শর্তসাপেক্ষে অনুমোদিত।

কুরআনের পাঠ ও অনুবাদ: QuranEnc। হাদিসের অনুবাদ: HadeethEnc। প্রতিটি আইটেমে উৎস দেওয়া আছে। ভুল খুঁজে পেয়েছেন? আমাদের জানান।